পরীক্ষার্থীদের জন্য মূল নির্দেশনাগুলো নিম্নরূপ:
প্রথমে, লিখিত ও পরবর্তীতে মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রবেশপত্র এবং জাতীয় পরিচয়পত্র (স্মার্ট কার্ড) সঙ্গে আনতে হবে। শুক্রবার দুপুর ২টায় পরীক্ষা কেন্দ্রের নির্ধারিত আসনে অবস্থান নিশ্চিত করতে হবে। পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্র ত্যাগ করা যাবে না। দুপুর আড়াইটায় সমস্ত প্রবেশপথ বন্ধ হয়ে যাবে এবং ওএমআর শিট বিতরণ করা হবে।
পরীক্ষা কেন্দ্রে কোনো ধরনের বই, নোট, ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোন, পার্স, হাতঘড়ি, ইলেকট্রনিক ডিভাইস বা অন্যান্য যোগাযোগ যন্ত্র সঙ্গে নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। এসব নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য পরীক্ষা নকলমুক্ত রাখা। নির্দেশনা অমান্য করলে পরীক্ষার্থীকে তাৎক্ষণিক বহিষ্কার এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পরীক্ষার সময় উভয় কানের কমপক্ষে উন্মুক্ত রাখা আবশ্যক। এছাড়া, আবেদনপত্রে প্রদত্ত ছবি এবং স্বাক্ষর উপস্থিতি যাচাই এবং ওএমআর শিটে স্বাক্ষরের সঙ্গে মিলিয়ে পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। ভুয়া পরিচয় বা অসঙ্গত তথ্য প্রদান করা কঠোরভাবে দণ্ডনীয়।
উত্তরপত্রে শুধুমাত্র কালো বলপয়েন্ট কলম ব্যবহার করতে হবে। প্রত্যেক প্রার্থীর জন্য নির্ধারিত ওএমআর ফরমের সেট কোড প্রবেশপত্রে উল্লেখিত কোডের সাথে মেলাতে হবে। ভুল কোড বা নির্ধারিত স্থানে সঠিকভাবে বৃত্ত পূরণ না করলে উত্তরপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে। এছাড়া, হাজিরা সিটেও নির্ধারিত স্থানে স্বাক্ষর করা এবং বৃত্ত পূরণ করা বাধ্যতামূলক।
পরীক্ষা কেন্দ্রের আসনের তালিকা কেন্দ্রের প্রবেশপথে প্রদর্শিত থাকবে। উল্লেখ্য, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ চাকরির নিশ্চয়তা প্রদান করে না, এবং পরীক্ষার নম্বর প্রকাশযোগ্য নয়।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পরীক্ষা কেন্দ্রের আশপাশে ১৪৪ ধারা জারি করেছে এবং পরীক্ষার্থীদের সতর্ক করেছে যে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো অসাধু চক্রের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন করা যাবে না। প্রার্থী নির্বাচন সম্পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে হবে। পরীক্ষার সকল বিস্তারিত তথ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (www.dpe.gov.bd) পাওয়া যাবে।
এই নির্দেশনাগুলো মেনে চলা পরীক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও নকলমুক্ত পরীক্ষা নিশ্চিত করবে। এটি শুধুমাত্র তাদের জন্য নয়, বরং প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
